📍 লোকেশন খোঁজা হচ্ছে…
Next prayer
,
–:–:–বাকি আছে
🌅 নফল নামাজের সময়
⛔ নামাজের নিষিদ্ধ (মাকরূহ) সময়
📘 জেনে রাখুন
ইশরাক
সূর্য ওঠার প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর মাকরূহ সময় শেষ হলে ইশরাকের ওয়াক্ত শুরু হয়। দারুল উলূম দেওবন্দ সতর্কতা হিসেবে ২০ মিনিট পর পড়তে বলেছে। কমপক্ষে দুই রাকাত পড়বেন। হাদীসে আছে, যে ফজর জামাতে পড়ে সূর্য ওঠা পর্যন্ত বসে যিকির করে, তারপর দুই রাকাত পড়ে, সে পূর্ণ হজ ও উমরার সওয়াব পায় (তিরমিযী ৫৮৬; একাধিক মুহাদ্দিস হাসান বলেছেন, কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন)।
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
চাশত / সালাতুদ দুহা
ইশরাকের পর থেকে যাওয়ালের আগ পর্যন্ত চাশতের সময়। দিনের এক-চতুর্থাংশ পার হলে, অর্থাৎ রোদ তেতে উঠলে পড়া উত্তম। কমপক্ষে দুই রাকাত, সাধারণত চার, আট রাকাতও বর্ণিত আছে। সহীহ মুসলিমের হাদীসে আছে, শরীরের প্রতিটি জোড়ার সদকা আদায়ের জন্য চাশতের দুই রাকাতই যথেষ্ট।
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
আওয়াবীন ও তাহাজ্জুদ
মাগরিবের ফরয ও সুন্নতের পর ছয় রাকাত নফল (দুই দুই রাকাত করে) আওয়াবীন নামে পরিচিত। এর নির্দিষ্ট সওয়াবের হাদীসগুলোর সনদ দুর্বল, তবে আলেমগণ ফযীলতের আমল হিসেবে উৎসাহিত করেন। তাহাজ্জুদ ইশার পর ঘুম থেকে উঠে পড়া হয়; রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া সবচেয়ে উত্তম (রাত ধরা হয় সূর্যাস্ত থেকে ফজর পর্যন্ত)।
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ (আওয়াবীন) · দারুল উলূম দেওবন্দ (তাহাজ্জুদ) · মাসিক আলকাউসার
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ (আওয়াবীন) · দারুল উলূম দেওবন্দ (তাহাজ্জুদ) · মাসিক আলকাউসার
নিষিদ্ধ (মাকরূহ) সময়
সূর্যোদয়ের শুরু থেকে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট, ঠিক দুপুরে সূর্য ঢলে পড়ার আগের প্রায় ৫ মিনিট (এটা ঘড়ির ১২টা নয়), আর সূর্য হলুদ হয়ে যাওয়া থেকে অস্ত যাওয়া পর্যন্ত কোনো নামাজ পড়া যায় না (শুধু ওই দিনের আসর ব্যতিক্রম)। এছাড়া ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ছাড়া, এবং আসরের ফরযের পর, কোনো নফল পড়া যায় না; তবে কাযা পড়া যায়।
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ · মাসিক আলকাউসার · IslamQA
হানাফি আসর কেন একটু দেরিতে?
হানাফি মাযহাবের ফতোয়াগ্রাহ্য মত অনুযায়ী আসরের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন কোনো বস্তুর ছায়া (দুপুরের মূল ছায়া বাদ দিয়ে) তার দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ হয়। অন্য মাযহাবে এক গুণ ছায়ায় শুরু হয়, তাই বিদেশের অনেক মসজিদে আসর আগে পড়া হয়। কেউ এক-ছায়ার সময়ে পড়ে ফেললে তা পুনরায় পড়তে হবে না, তবে সম্ভব হলে হানাফিগণ দুই-ছায়ার পরে আসর পড়ার চেষ্টা করবেন। এই পাতায় আসরের সময় হানাফি নিয়মে দেখানো হয়েছে।
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ
সূত্র: দারুল উলূম দেওবন্দ
ইউরোপ-কানাডার গ্রীষ্মে এশা ও ফজর
উত্তরের দেশগুলোতে গ্রীষ্মে অনেক সময় রাতে আকাশের আলো পুরোপুরি মিলিয়ে যায় না। এমন জায়গায় হানাফি আলেমগণ নিকটতম দিন, নিকটতম স্থান বা রাতের এক-সপ্তমাংশের মতো স্বীকৃত পদ্ধতিতে সময় নির্ধারণ করেন; মাগরিব ও এশা একসাথে পড়া (জম’) হানাফি মাযহাবে জায়েয নয়। এই পাতায় ৪৮° অক্ষাংশের ওপরের শহরে “রাতের এক-সপ্তমাংশ” পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। আপনার এলাকার নির্ভরযোগ্য মসজিদের সময়সূচি অবশ্যই মিলিয়ে নিন।
সূত্র: Darul Iftaa Birmingham · Darul Iftaa Leicester
সূত্র: Darul Iftaa Birmingham · Darul Iftaa Leicester
⚠️ এখানে দেখানো সময়গুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে আনুমানিকভাবে বের করা। জামাতের সময় ও সতর্কতার জন্য অনুগ্রহ করে আপনার স্থানীয় মসজিদ বা নির্ভরযোগ্য আলেমের সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
